আজ : ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, শনিবার প্রকাশ করা : এপ্রিল ২২, ২০২১

  • কোন মন্তব্য নেই

    শ্রীমঙ্গল ডেঙ্গু মশা ঠেকাতে সচেতন হোন

    নিজস্ব প্রতিবেদক: মোঃ জালাল উদ্দিন।

    মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল পৌরসভা মেয়র মোঃ মহসিন মিয়া মধু ’র উদ্যোগে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডে প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে করোনা মহামারী সংক্রমণ রোদে জীবাণুনাশক স্প্রে ও ডেঙ্গু মশার ওষুধ ছিটানো কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০২১ইং, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড কমিশনার ও প্যানেল মেয়র মীর এম এ সালাম উপস্থিত থেকে জীবাণুনাশক স্প্রে ও ডেঙ্গু মশার ওষুধ ছিটানো কার্যক্রম পরিচালনা করেন শান্তিবাগ সাগর দিঘী রোড ও হবিগঞ্জ রোড। এ সময় কমিশনার মীর এম এ সালাম বলেন এডিস মশার বংশ নাশ করতে হবে ডেঙ্গুর ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষের দেহে ছড়ায় মশার মাধ্যমে। মশাই এই রোগের একমাত্র বাহক।ডেঙ্গু ভাইরাস যে বিশেষ মশার মাধ্যমে ছড়ায়, তার নামও সবাই জানে—এডিস মশা। এডিস মশার দুই রকম প্রজাতি আছে। একটির নাম এডিস ইজিপ্টি ও অপরটি এডিস এলবোপিক্টাস।

    তবে আমাদের এই অঞ্চলে এডিস ইজিপ্টিই বেশি। এরা কামড়ায় সাধারণত দিনের বেলায়, বিশেষ করে শেষ বিকেলে। এডিস মশা একটু গৃহী ধরনের। পছন্দ করে আবদ্ধ জলাধার। এরা বাসাবাড়ির টবে, ফ্রিজের পেছনে জমে থাকা পানি, এসির পানি, কমোডে আটকে থাকা পানি ইত্যাদিতে বংশবিস্তার করে। রাস্তার খানাখন্দ, পড়ে থাকা পুরোনো টায়ার, যেকোনো রকমের পাত্র, জেরিক্যান, মোটকথা যেখানে পানি কিছুদিন জমে থাকতে পারে, সেখানেই এদের বসবাস ও প্রজনন। যেহেতু মশাই এই রোগের একমাত্র বাহক, সুতরাং মশার আবাস ও প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করতে পারলেই এডিস নির্বংশ হবে সমূলে। ডেঙ্গু প্রতিরোধের সর্বোত্তম উপায় তাই এডিস মশার বংশ নাশ। তাই বসতবাড়ির এ রকম আবদ্ধ জলাধার ধ্বংস করতে হবে। ফ্রিজের বা এসির পানি দুই দিন পরপর পরিষ্কার করতে হবে। বাসার বারান্দায়, টেরিসে বা কার্নিশে খোলা টব থাকলে সেটা পরিষ্কার করতে হবে। রাস্তার আশপাশের খানাখন্দ ভরাট করে ফেলতে হবে। শ্রীমঙ্গল কে পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত করতে শ্রীমঙ্গল উপজেলার দায়িত্ব তো আছেই, কিন্তু নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়ও কম নেই।

    এর আগেও আপৎকালে ও দুর্যোগে যেমন এ দেশের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নেমে এসেছে, এখন সময় এসেছে আবার। যথাযথ কর্তৃপক্ষের দিকে না তাকিয়ে পাড়া-মহল্লায় তরুণেরা দল বেঁধে নিজেরাই নেমে পড়তে পারেন এই কাজে। কাজগুলো করতে হবে ডেঙ্গু মৌসুম শুরুর আগেই। ডেঙ্গু মৌসুম মানে মে থেকে সেপ্টেম্বর—এই পাঁচ মাস।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *