Md. Raju Ahamed
আজ : ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, শনিবার প্রকাশ করা : সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১

  • কোন মন্তব্য নেই

    মৎস্য খাতে বর্তমান সরকারের অগ্রগতি ও সাফল্য বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক: মোঃ জালাল উদ্দিন।
    মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ”বেশি বেশি মাছ চাষ করি বেকারত্ব দূর করি ” এই প্রতি পাদ্যকে সাসমে রেখে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কার্যালয়ের আয়োজনে মৎস্য খাতে বর্তমান সরকারের অগ্রগতি ও সাফল্য বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ইং) সকাল ১১ ঘটিকায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার হলরুমে মৎস্য খাতে বর্তমান সরকারের অগ্রগতি ও সাফল্য বিষয়ক আলোচনা সভ অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত সভায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেঃ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সংসদের সাবেক চীফ হুইপ, অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান প্রেম সাগর হাজরা, মৎস্য অধিদপ্ত কর্মকর্তা সিলেট বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক আহসান হাসিফ খান, শ্রীমঙ্গল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ নেছার উদ্দিন, শ্রীসঙ্গল উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিতালি দত্ত, শ্রীমঙ্গল থানার ওসি (অপারেশন) নয়ন কারকুন, শ্রীমঙ্গল উপজেলা মৎস্যজীবি লীগের সভাপতি আশিকুর রহমান এম.এ, সাধারণ সম্পাদক, আলহাজ্ব ওমর ফারুক, পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ সহ মৎস্য জীবি কর্মকর্তা বৃন্দ প্রমুক।

    বক্তারা বলেন , দক্ষিণ এশিয়ার মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে মৎস্য অধিদপ্তর উন্নয়নের নামে আছে। চট্টগ্রাম-ঢাকা এবং খুলনায় মাছ পরিচালিত হয়েছে, আমাদের দেশে ডিজিটাল মেশিনের মাধ্যমে মাছ সরবরাহ করা হচ্ছে, প্রণোদনার ক্ষেত্রে মৎস্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে সংখ্যা লাখের মতো মানুষের কয়েক কোটি টাকা দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে এবং তা মানুষ গ্রহণ করেছে। করোনা সময়েও সরকার দেশের দারিদ্র্য যাতে না বাড়ে মৎস্য অধিদপ্তরের কাজ চলমান রাখতে সহযোগিতা করছেন।

    উপাধ্যক্ষ ডঃ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি বলেন, আমরা দেখেছি যে চিটাগাং এর সাথে নাফ নদীর সঙ্গে যুক্ত আছে, অনেক সময় দেখা গেছে মাছ পাওয়া যায়না বিলুপ্ত হয়ে যায়। আগে আমরা দেখতাম খালে বিলে মাছ ধরলে অনেক মাছ পাওয়া যেত তাদের মধ্যে কৈ, শিং, কারফু, চ্যাং মাছ পাওয়া যেত। এগুলো অনেক কিছু বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আমরা আশা করব হাওর থাকা সত্ত্বেও আমরা নিজেরা নালা দিয়ে পানি যাওয়ার রাস্তা করে দিলে যেমন রাস্তাঘাট পরিষ্কার হবে, তেমনি স্থানীয় মাছ উৎপাদিত হতে পারে, এ বিষয়ে গ্রামের চেয়ারম্যান, মেম্বার, মৎস্য অফিসার সবাই মিলে আলোচনা করলে অবশ্যই এতে সুফল দেখা যাবে।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *